স্টাফ রিপোর্টারঃ বন্ধ হয়ে যাওয়া তৈরী পোশাক শিল্পের প্রতিষ্ঠানগুলোতে দ্রুত বাঁচাতে ও প্রতিষ্ঠানগুলো সচল করতে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যোকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ) একটি সহায়ক কমিটি গঠন করেছে। যারা বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে আবারো পুরোদমে কাজে ফিরাতে কাজ করবে। বিকেএমইএ এর সাবেক পরিচালক হাসান মাহমুদকে প্রধান সহায়ক ও মিলেনিয়াম নিট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহাবুবুল হক হীরাকে সহকারী প্রধান সহায়ক করে দশ সদস্যের রুগ্ন শিল্প বিষয়ক সহায়ক কমিটির অনুমোদন দিয়েছেন বিকেএমইএ। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সাইন নীটওয়্যার্স (প্রাঃ) লিঃ এর রফিউর রাব্বি, মার্স ফ্যাশন এর মো: আরমান হাসান আতিক, রাজা নীট হরিহরপারা এর আব্দুল খালেক, ইরান টেক্সটাইল লিঃ এর মনির হোসেন মোল্লা, ড্রিম এ্যাপারেলস এর ইলিয়াস সরকার, এঞ্জেল ওয়্যার হাউজ এর আক্তারুজ্জামান, রানস এ্যাপারেলস লিঃ এর আবদুল রউফ, মেঘদূত ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ এর আবদুস সোবহান।
এ সময় বিকেএমইএ এর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম সাংবাদিকদের বলেন, যে প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন সমস্যার কারণে বন্ধ হয়ে গেছে। সে প্রতিষ্ঠানগুলোকে আমরা উদ্ধার করতে, পুণরায় চালু করতে কি কি সহযোগীতা প্রয়োজন, কিভাবে তারা আবারো উৎপাদনে ফিরতে পারে সে বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করতে বিকেএমইএ এর পক্ষ থেকে দশ সদস্য বিশিষ্ট একটি সহায়ক কমিটি করে দিয়েছি। তারা রুগ্ন শিল্প বাাঁচাতে কাজ করবে। কি কারণে কেন প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হয়েছে এবং সেগুলোতে পূণরায় চালু করতে কি কি সহযোগীতা বিকেএমইএ করলে তারা উপকৃত হবে সেই বিষয়টি মাথায় রেখে আমরা কমিটি করে দিয়েছি।
বিকেএমইএ এর রুগ্ন শিল্প সহায়ক কমিটির প্রধান সহায়ক হাসান মাহমুদ বলেন, যে সকল প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হয়ে গিয়েছে এবং যেগুলো বন্ধ হওয়ার পথে নানামূখী কারণে আমরা সেকল কারণগুলো উদ্ভাবন করে এসকল প্রতিষ্ঠানগুলোকে উৎপানে ফিরিয়ে আনতে সর্বাত্মক চেষ্টা করবো। তিনি বলেন, দেশের তৈরী পোশাক শিল্পের শীর্ষ সংগঠন বিকেএমইএ এর বর্তমান সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম সাহেব আমাদের উপর যে আস্থা বিশ্বাস রেখে দায়িত্ব দিয়েছে আমি ও প্রধান সহকারী হীরাসহ বাকী সাত সদস্য সবাই মিলে রুগ্ন প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হওয়ার কারণ এবং এই প্রতিষ্ঠানগুলো আবারো উৎপাদনে ফেরাতে সকল প্রকার চেষ্টা চালিয়ে যাবো ইনশাল্লাহ।
হাসান মাহমুদ বলেন, বন্ধ কারখানা চালুর উদ্যোগ গ্রহন করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন ও মোবারকবাদ। এর ফলে বন্ধ শিল্পের মালিক ও শ্রমিকদের বেকারত্ব ঘুচাবে ও জিডিবি বাড়বে এবং রপ্তানি খাত আরো প্রসারিত হবে। রুগ্ন শিল্পের মালিকগণ আবারো পুণরায় ব্যবসায়ী হিসেবে আগমণ ঘটবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন সেই সাথে মামলা থেকেও অব্যাহতি পাবে। সরকারের রুগ্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান পুণরায় চালু করার সার্কুলার শতভাগ সফল হবে বলে হাসান মাহমুদ আশা ব্যক্ত করেন। অনেক মালিকগণ তাদের নামে মামলা থেকে অব্যাহতি পাবে বলে আশা ব্যক্ত করেন।


