শনিবার ,   ১৪ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ,   ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,  ১৫ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি
Cnbnews

সাবেক প্রধাণমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ১১ মামলার শুনানি ৩১ অক্টোবর

Print Friendly, PDF & Email

নিজিস্ব প্রতিবেদক: বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নাশকতা ও রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে করা ১১ মামলায় শুনানির জন্য আগামী ৩১ অক্টোবর দিন ধার্য করেছে আদালত।

সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) এসব মামলায় অভিযোগ গঠন ও মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণের বিষয়ে শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। অধিকাংশ মামলায় উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ থাকায় ও এদিন খালেদা জিয়া অসুস্থতাজনিত কারণে আদালতে উপস্থিত হতে না পারায় তার আইনজীবীরা সময়ের আবেদন করেন।

শুনানি শেষে কেরানীগঞ্জ কারাগারের নবনির্মিত ভবনে স্থাপিত অস্থায়ী ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে নতুন এ তারিখ ধার্য করেন।

১১ মামলার মধ্যে যাত্রাবাড়ী থানার একটি হত্যা মামলায় অভিযোগপত্র গ্রহণের বিষয়ে শুনানি ও অপর ১০ মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানির দিন ধার্য ছিল। সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পিপি তাপস কুমার পাল এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নথি থেকে জানা গেছে, মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যে করার অভিযোগে ২০১৬ সালের ২৫ জানুয়ারি আদালতে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলাটি দায়ের করা হয়। এছাড়া ২০১৫ সালের ২৩ জানুয়ারি রাতে যাত্রাবাড়ীর কাঠেরপুল এলাকায় গ্লোরি পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাসে পেট্রোল বোমা হামলা হয়। এতে বাসের ২৯ যাত্রী দগ্ধ ও একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ওই ঘটনায় পরের দিন ২৪ জানুয়ারি খালেদা জিয়াকে হুকুমের আসামি করে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা হয়।

ওই ঘটনায় ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি খালেদা জিয়াকে হুকুমের আসামি করে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করেন থানার এসআই কে এম নুরুজ্জামান। ওই বছরের ৬ মে খালেদা জিয়াসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক বশির আহমেদ।

অন্যদিকে ২০১৫ সালে দারুস সালাম থানা এলাকায় নাশকতার অভিযোগে ৯টি মামলা দায়ের করা হয়। এসব মামলায় খালেদা জিয়াকে আসামি করা হয়।

২০১৭ সালের বিভিন্ন সময়ে মামলাগুলোয় অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। সবগুলো মামলায় খালেদা জিয়াকে পলাতক দেখিয়ে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়। পরে খালেদা জিয়া মামলাগুলোয় আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন।

এর মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়ে মন্তব্য এবং ভুয়া জন্মদিন উদযাপনের অভিযোগে আওয়ামী লীগের আমলে দায়ের হওয়া মানহানির পাঁচ মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন খালেদা জিয়া।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় ৫ বছরের সাজা হলে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে যেতে হয় খালেদা জিয়াকে। দুদকের আপিলে ওই বছরেরই অক্টোবরে হাই কোর্ট তার সাজা বাড়িয়ে দ্বিগুণ করে। একই মাসে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলাতেও সাজার রায় হয় খালেদা জিয়ার। দুই বছরের বেশি সময় কারাবন্দি ছিলেন তিনি।

২০২০ সালের ২৫ মার্চ আওয়ামী লীগ সরকার নির্বাহী আদেশে সাজা স্থগিত করে শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি দেয় সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে। তখন থেকে ছয় মাস পরপর তার সাজা স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি করা হচ্ছিল।

গণআন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর গত ৭ অগাস্ট রাষ্ট্রপতির আদেশে মুক্তি পান খালেদা জিয়া।

Related posts

সৌদিতে ৩ মাসের নির্যাতন শেষে বাংলাদেশে ফিরল নারায়ণগঞ্জের তানজিলা

Bablu Hasan

বহিরাগত শ্রমিকদের তান্ডব,আতঙ্কে দেশ ছাড়ছেন ল্যাভেন্ডার এ কর্মরত চাইনীজ নাগরীকরা।

cnb editor

সরিষাবাড়ীতে ৪’ শতাধিক হতদরিদ্র পেল শীতবস্ত্র কম্বল

cnb editor