সোমবার ,   ১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ,   ২রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,  ১২ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
Cnbnews

দুঃস্বপ্নের অবসান ঘটিয়ে বাঙালির জীবনে এলো নতুন প্রভাত ১৬ ডিসেম্বরঃ শাহজাহান সাজু

Print Friendly, PDF & Email

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৬ ডিসেম্বর দুঃস্বপ্নের অবসান ঘটিয়ে বাঙালি জাতির জীবনে এলো নতুন প্রভাত। দীর্ঘ নয়মাস পর ১৬ ডিসেম্বর সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সূচিত হল মুক্তিযুদ্ধের অনিবার্য বিজয়। এর মধ্য দিয়ে এলো হাজার বছরের কাংখিত স্বাধীনতা। বাঙালি জাতি এদিন অর্জন করে তার ভাগ্য নিয়ন্ত্রণের অধিকার। ৩০ লাখ শহীদের রক্ত আর ২ লাখ ধর্ষিতা মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে স্বাধীনতা ধরা দেয় বাঙালির জীবনে। আমার বাবাও ছিলেন একজন বীরমুক্তিযোদ্ধা। আজ গর্ব করে বলি আমি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে কথাগুলো বলছিলেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ৩নং ওয়ার্ড কমিউনিটি পুলিশের সভাপতি, ওয়ার্ড পঞ্চায়েত কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সাজু ডেভেলপারস এর চেয়ারম্যান শাহজাহান সাজু। তিনি বলেন, বছর ঘুরে আবার এসেছে মহান বিজয় দিবস, বাঙালি জাতির হাজার বছরের শৌর্যবীর্য এবং বীরত্বের এক অবিস্মরণীয় গৌরবময় দিন। বীরের জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার দিন। পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন ভূখন্ডের নাম জানান দেয়ার দিন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৪৮ সাল থেকে ৫২’র ভাষা আন্দোলন, ৬৬’র ছয় দফা, ৬৯’র গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭১ এর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ, ২৫ মার্চে গণহত্যা শুরু হলে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা, ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠন এবং রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে ৩০ লাখ শহীদ ও দু’লাখ মা-বোনের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয় স্বাধীনতা। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাক সেনাদের আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। সেই হিসাবে বিজয়ের ৫১ বছর পূর্তির দিন আমাদের।
শাহজাহান সাজু বলেন, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাঙালি জাতি পরাধীনতার শেকল ভেঙ্গে প্রথম স্বাধীনতার স্বাদ গ্রহণ করেন। ২৪ বছরের নাগ পাশ ছিন্ন করে জাতির ভাগ্যাকাশে দেখা দেয় এক নতুন সূর্যোদয়। প্রভাত সূর্যের রক্তাভা ছড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে। সমস্বরে একটি ধ্বনি যেন নতুন বার্তা ছড়িয়ে দেয় ‘জয়বাংলা’ বাংলার জয়, পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল, রক্ত লাল, রক্ত লাল। মহামুক্তির আনন্দ ঘোর এই দিনে এক নতুন উল্লাস জাতিকে প্রাণ সঞ্চার করে সজিবতা এনে দেয়। যুগ যুগ ধরে শোষিত বঞ্চিত বাঙালি চোখে আনন্দ অশ্রু আর ইস্পাত কঠিন দৃঢ়তা নিয়ে এগিয়ে যায় সামনে। বিন্দু বিন্দু স্বপ্নের অবশেষে মিলিত হয় জীবনের মোহনায়। বিশ্ব কবির সোনার বাংলা, নজরুলের বাংলাদেশ, জীবনানন্দের রূপসী বাংলা, রূপের তাহার নেইকো শেষ, বাংলাদেশ আমার বাংলাদেশ। এসময় মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত সকল সূর্য সন্তানের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন শাহজাহান সাজু।

সিএনবি/সিএসএস

Related posts

জমজ দুই বোন পেলেন গোল্ডেন জিপিএ-৫

Bablu Hasan

সীমান্ত হত্যা বন্ধে সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতি দায়ী : ডা. ইরান

Bablu Hasan

শূন্যের ভেতরে দেখি সম্ভাবনার বাংলাদেশ

Bablu Hasan