সোমবার ,   ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ,   ১লা ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ,  ৯ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৭ হিজরি
Cnbnews

কে এই শিপন সরকার ?

Print Friendly, PDF & Email

কথায় আছে অর্থই অনর্থের মূল এই প্রবাদকে সামনে রেখে হিন্দু সম্প্রদায়ের সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে নিজের আখের গুছানোর অভিযোগ উঠেছে শিখন সরকার শিপন ওরফে শিপন সরকারের বিরুদ্ধে। তিনি নারায়নগঞ্জ জেলা পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক। অভিযোগ রয়েছে তিনি সাধারণ সম্পাদক পদে দীর্ঘদিন থাকলেও কোন উপজেলা কমিটি করতে পারেন নি।

সেই সাথে জেলার সবকটি থানা কমিটি করতে ব্যর্থ হয়েছে। সচেতন মহলে গুঞ্জন উঠেছে যে ব্যক্তি কমিটির পদে থেকে সঠিক ভাবে দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হয় সে কি করে একজন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিক একজন সিআইপিকে হুমকি দিয়ে কথা বলেন। ধর্মের দোহাই দিয়ে তিনি এসকল কর্মকান্ড করছেন বলে এলাকাবাসীরা মনে করেন।

হিন্দু সম্প্রদায়ের কয়েকজন জানান, শিখন সরকার শিপন কুমিল্লা থেকে নারায়ণগঞ্জে এসে বসবাস শুরু করেন। তার দাদার বাড়ি ছিলো কুমিল্লা জেলা। ২০০১ সালের পরে বিএনপি সরকার আমলে বিএনপি নেতা বদিউজ্জামান বদুর পিয়ন হিসেবে কাজ করতেন তিনি। এই শিখন সরকার শিপন বিএনপি সরকার ক্ষমতা থেকে চলে যাওয়ার পর জাতীয় পার্টির কতিপয় নেতার ছত্রছায়ায় নিজেকে জাতীয় পার্টির নেতা হিসেবে পরিচয় দিতে থাকেন।

আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০১২ সালে শিপন সরকার উকিলপাড়া বৈশাখী হুশিয়ারী কারখানা নামে একটি ছাপা কারখানায় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তিনি সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে নিজেকে আওয়ামীলীগের নেতা পরিচয়ে প্রভাবশালী নেতাদের আশির্বাদপুষ্টে নারায়ণগঞ্জ জেলা পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদটি বাগিয়ে নেন তিনি।

একজন তেলমারা নেতা হিসেবে সবার কাছে পরিচিত শিপন সরকার। এরপর থেকে তাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হননি। একের পর এক ঘটনার জন্মদিয়ে আলোচনায় চলে আসেন তিনি। হাতিয়ে নিয়েছেন মোটা অংকের টাকা। এখন আর তাকে চাকরিও করতে হয়না। কারো কাছে ধর্নাও দিতে হয় না। সাধারণ সম্পাদক পদটি পেয়ে এসিরুমে ভালোভাবেই কাজকর্ম সারছেন তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হিন্দু সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি জানান, শিখন সরকার শিপনের এক সময় কিছুই ছিলনা। তেল মেরে তার দিন চলে। নিজেকে আওয়ামীলীগ নেতা পরিচয় দিয়ে দিব্যি চলাফেরা করছেন তিনি। শিপন সরকার শিখনকে আইনের আওতায় আনান দাবি জানিয়েছেন

এ বিষয়ে শিখন সরকার শিপনের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেন নি।

নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল জানান, লক্ষী নারায়ণগঞ্জ পূজামন্ডবটি বেগতিক হয়ে যাওয়ায় ওই কারখানার মালিকপক্ষ সনাতনধর্মাবলম্বিদের পূজা উদযাপন করতে একটি জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। যাতে করে পূজা পালন করতে কোন রকম অসুবিধা না হয়।

Related posts

রসূলবাগের নব্যত্রাস রিয়াজ চাঁদা না পেয়ে সাজু ডেভেলপারসের সাইনবোর্ড ভাংচুর

Bablu Hasan

প্রতিবাদ

Bablu Hasan

সাজু ডেভেলপারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে নিলেন ঈমান আলী

Bablu Hasan