
১। মাঝে মাঝে বৃষ্টিতে ভিজা।
২। রাতে স্ত্রীকে সাথে নিয়ে নির্জনে হাঁটা।
৩। বৃষ্টি আসলে দোয়া করা।
৪। স্ত্রীর রান্না করা হালাল খাবারের দোষ না ধরা।
খেতে মন না চাইলে চুপ থাকা।
৫। কোনো কিছু জানা না থাকলে স্বীকার করা যে, আমি জানি না।
৬। মাঝে মাঝে বিপদে আকাশের দিকে মাথা তোলা।
আকাশের দিকে তাকিয়ে নিজের কষ্টগুলো আল্লাহকে বলা।
৭। খুব খুশি হলে সিজদায় লুটিয়ে পড়া।
৮। ধোঁয়া ওঠা গরম খাবার ঠান্ডা না হওয়া পর্যন্ত না খাওয়া।
৯। নফল ও সুন্নাহ সালাতগুলো নিজের ঘরে পড়া।
১০। বাসা থেকে বের হওয়ার সময় এবং বাসা ফিরে দুই রাকাআত সালাত আদায় করা।
১১। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে জুতা না পরা।
বিশেষ করে শু জুতা ( স্যান্ডেল না)
১২। যতই ভালো খাবার হোক ভরা পেটে না খাওয়া।
১৩। ফজরের সালাতের পর সালাতের স্থানে বসে তসবি পড়া।
অতঃপর সূর্য উঠার পর দুই রাকাআত সালাত আদায় করা।
১৪। দ্বীনের দাওয়াত সহজ করার উদ্দেশ্যে নতুন একটি ভাষা শিখা।
১৫। বাড়িতে অজু করে রুমাল দিয়ে হাতপা মুছে মসজিদে জামায়াতে যাওয়া।
১৬। মানুষের মাঝে বিবাদ মিটিয়ে দেয়া।
১৭। রাতে অজু অবস্থায় ঘুমানো।
১৮। মাঝে মাঝে খালি পায়ে হাঁটা।
১৯। যদি কারো উপর কোনো কষ্ট আসে, আল্লাহ তাআলা এর কারণে তার গুনাহসমূহ ঝরিয়ে দেন; যেমনভাবে গাছ থেকে পাতা ঝরে পড়ে।
২০। রাসুলুল্লাহ(সাঃ) বলেন আমি টেক(হেলান) লাগানো অবস্থায় কোনো কিছু ভক্ষণ করি না।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে আমল করার তৌফিক দান করুক
আমিন


